Home / মিডিয়া নিউজ / সন্তান হওয়ার পর আচরণ পাল্টে যায় অনিকের

সন্তান হওয়ার পর আচরণ পাল্টে যায় অনিকের

স্বামী অনিক মাহমুদের সঙ্গে তালাক প্রসঙ্গে চিত্রনায়িকা শাবনূর বলেছেন, সন্তান জন্মের পর

থেকেই আমাদের মধ্যে একটা দূরত্ব তৈরি হয়। অনেক বিষয়ে মতের অমিল হচ্ছিল।

এর পর আমরা আলাদা থাকা শুরু করি। ভাবলাম, একটা সময় উপলব্ধিতে পরিবর্তন আসবে। কিন্তু তা আর হলো না।

বুধবার সিডনি থেকে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, এর পর অনীকের বাবা-মায়ের সঙ্গেও কথা বলা হয়। অনেক চেষ্টার পরও বনিবনা হচ্ছিল না। তার পর ভাবলাম এভাবে থাকার চেয়ে আলাদা থাকাটাই ভালো। আইনজীবীর মাধ্যমে ২৬ জানুয়ারি তালাকনামা অনিকের বাসায় পাঠানো হয়।

২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর ভালোবেসে দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে করেন শাবনূর ও অনীক মাহমুদ। বিয়ের পরের বছরই ২৯ ডিসেম্বর এই দম্পতির ঘর আলোকিত করে আসে ছেলেসন্তান।

শাবনূর আরও বলেন, অভিনয়ে এসে অনেক চড়াই-উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে নিজেকে সবার ভালোবাসার মানুষ হিসেবে তৈরি করেছি। সংসারজীবন শুরু করেছিলাম ভালো থাকার আশায়। চলচ্চিত্রে সবার ভালোবাসা পাওয়া আমার হয়তো সংসারজীবনের ভালোবাসা ভাগ্যে লেখা ছিল না। তাই সংসারজীবনে বিচ্ছেদ করতে হয়েছে।

তিনি বলেন, অনীকের পরিবার আছে, আমারও পরিবার আছে— দুজনেরই সমাজ আছে, সেখানে দুজন নিজেদের মতো করে থাকুক এটিই চেয়েছি।

মতের অমিল বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী বলেন, সন্তান জন্মের পর অনীক পরিবারের প্রতি অনেক দায়িত্বশীল আচরণ করত না। অনেকবার বলার পরও তার দায়িত্ব আর আচরণগত পরিবর্তন আসেনি। তাই ভাবলাম– এভাবে থাকার চেয়ে না থাকাটাই ভালো।

নব্বই দশকের শুরুতে পরিচালক ইহতেশামের হাত ধরে চলচ্চিত্রে আগমন ঘটে শাবনূরের। এর পর সালমান শাহর সঙ্গে জুটি গড়ে তুমুল আলোচনার জন্ম দেন। গত ২৬ বছর ধরেই নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছেন শাবনূর।

২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর অনিক মাহমুদ হৃদয়ের সঙ্গে আংটিবদল করেন শাবনূর। এর র ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর বিয়ে করেন তারা। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর আইজান নিহান নামে এক পুত্রসন্তানের মা হন শাবনূর। পুত্রকে নিয়ে তিনি এখন অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন।

About Nusraat

Check Also

‘আমি কোনো ফকিরনি পরিবারের মেয়ে না’, নীলা চৌধুরীকে শাবনূর

চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ২৪ বছর পর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *