Home / মিডিয়া নিউজ / এক সময়ের পর্দা কাঁপানো নায়িকা এখন পথে পথে ভিক্ষা করে বেড়াচ্ছেন

এক সময়ের পর্দা কাঁপানো নায়িকা এখন পথে পথে ভিক্ষা করে বেড়াচ্ছেন

শুরুতে ছিলেন জনপ্রিয় মডেল পরে পর্দা কাঁপানো নায়িকা। আজ তিনি পথে পথে ভিক্ষা করে

বেড়াচ্ছেন। এটি বাস্তব এক চিত্র। এটা কোনো নাটক বা চলচ্চিত্রের গল্প নয়। এটি এক গ্ল্যামার

কন্যার জীবনে করুণ পরিণতির বাস্তবতা। জানা গেছে, মিতালি শর্মা নামের এই অভিনেত্রী নায়িকা

হবার স্বপ্ন নিয়ে বাবা ও মায়ের অমতেই নাম লিখিয়েছিলেন বলিউডের ছবিতে। কিন্তু একসময়ের এই

গ্ল্যামার গার্ল চ্যালেঞ্জে হেরে যান। যখন বুঝতে পারলেন তাকে দিয়ে আর অভিনয় হবে না তখন ফিরে যেতে চাইলেন।

কিন্তু কোথায় ফিরবেন? তাকে আশ্রয় দিতে চাইলেন না বাবা মা। শেষপর্যন্ত বাধ্য হয়ে পথেই জায়গা খুঁজে নিলেন।

সম্প্রতি ক্ষুধার জ্বালায় চুরি করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন তিনি। আর তখনই প্রকাশ হলো এই খাবার চোর একসমেয়র জনপ্রিয় নায়িকা ছিলেন! এই খবরে হৈ চৈ পড়ে গেছে বলিউডজুড়ে।
জানা গেছে, মিতালি শর্মা দিল্লির বাসিন্দা ছিলেন। মডেল হিসেবে বেশ সুনামও অর্জন করেছিলেন। অভিনয় করেন বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক ভাষার ছবিতেও। এ কারণে বাবা মা’র সঙ্গে সম্পর্কের ছেদ ঘটে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারেননি তিনি।

তার ছবিগুলো ফ্লপ হলে দীর্ঘদিন ধরেই কাজ খুঁজে পাচ্ছিলেন না। তাই মুম্বাইয়ের লোখান্ডওয়ালায় রাস্তায় ভিক্ষে করে পেট চালাতেন। সম্প্রতি ক্ষুধার জ্বালায় চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে যান তিনি। আর তখনই জানা গেল নায়িকার জীবনের করুণ এই পরিণতির গল্প!

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মুম্বাইয়ের ওশিওয়াড়ার একটি হাউজিং সোসাইটির কাছে গাড়ির কাচ ভেঙে চুরির চেষ্টা করার সময় তাকে হাতে নাতে ধরে ফেলে পুলিশ। বর্তমানে পুলিশের তত্ত্বাবধানে মানসিক হাসপাতাল আছেন। এই খবর সর্বত্র প্রকাশ হলেও মিতালির খোঁজ নিতে আসেননি তার পরিবার-পরিজন।

প্রসঙ্গত, এর আগে বলিউডে গীতাঞ্জলি নাগপাল নামের এক অভিনেত্রীর বেলাতেও এমন খবর শোনা গিয়েছিলো। একসময়ের পর্দা কাঁপানো এই অভিনেত্রীও সব জৌলুস হারিয়ে ভিক্ষা করতে নেমেছিলেন পথে।
-এমটিনিউজ২৪ডটকম

About Nusraat

Check Also

‘আমি কোনো ফকিরনি পরিবারের মেয়ে না’, নীলা চৌধুরীকে শাবনূর

চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ২৪ বছর পর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *