Home / মিডিয়া নিউজ / আমেরিকায় কেন স্থায়ী হতে চান তারকারা

আমেরিকায় কেন স্থায়ী হতে চান তারকারা

রঙিন জগতের মোহ ছেড়ে একের পর এক তারকা স্বপ্নের দেশ আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছেন।

অপেক্ষায় আছেন আরও অনেকে। কেন তারা নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছেন মিডিয়া থেকে?

কিংবা আড়ালে গিয়ে পাড়ি জমাচ্ছেন আমেরিকায়! এখানে কিন্তু একটি প্রশ্ন থেকে যায়। পৃথিবীতে

আমেরিকার চেয়ে আরও অনেক বেশি শান্তির দেশ রয়েছে। সেসব দেশের প্রতি দেশি তারকাদের কোনো আগ্রহই নেই। তাদের লক্ষ্য একটাই। আমেরিকায় যাওয়া এবং সেখানে স্থায়ী হওয়া। এবং শেষ পর্যন্ত নাগরিকত্ব নেয়া। তারকাদের আমেরিকা প্রীতি ও দেশটিতে যারা নিয়মিত আসা যাওয়া করেন তাদের নিয়েই এ আয়োজন। দেশের বিনোদন জগতে জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও একের পর এক তারকা আমেরিকায় পাড়ি জমাচ্ছেন। এর সর্বশেষ সংযোজন অভিনেত্রী তমালিকা কর্মকার। গত বছরের শেষ দিকে ঢাকার স্থাবর-অস্থাবর জিনিসপত্র বিক্রি করে আমেরিকা পাড়ি জমিয়েছেন এই অভিনেত্রী। জানা গেছে, অভিনয় ক্যারিয়ার নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তার কারণেই তিনি আমেরিকায় পাড়ি দিয়েছেন। তাও গিয়েছেন ফিরে না আসার প্রত্যয়ে!

মিডিয়ার তারকাদের তথাকথিত উন্নত জীবনের আশায় দেশ ছাড়ার এই মিশন শুরু হয়েছে অনেক আগে থেকে। চলচ্চিত্রের এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবানা আমেরিকায় স্থায়ী হয়েছেন একুশ শতকের শুরুর দিকে। মাঝে মধ্যে দেশে চলে আসার গুঞ্জন থাকলেও এখনও আমেরিকাতেই অবস্থান করছেন এ অভিনেত্রী। ২০০৯ সালে আমেরিকার পুলিশ কর্মকর্তা রাসেক মালিককে বিয়ে করে সেখানে চলে যান জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী রিচি সোলায়মান। স্বামীর সঙ্গে মাঝে সম্পর্কের জটিলতা তৈরি হলে দেশে ফিরেও এসেছিলেন।

পরে তা মীমাংসা হওয়ায় আবার আমেরিকায় চলে গেছেন এ অভিনেত্রী। দেশে ঘুরতে এসে মাঝে মধ্যে নাটকে অভিনয় করেন রিচি। দুই সন্তান নিয়ে তার বর্তমান আবাস আমেরিকাতেই। মডেলিং দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করলেও পরে নাটক, সিনেমায় অভিনয় করেন রোমানা। অভিনয় ক্যারিয়ার নিয়ে হতাশা এবং আমেরিকা প্রবাসীকে বিয়ে করে সে দেশে চলে যান এ তারকা। এরপর থেকেই তিনি মিডিয়ায় অনুপস্থিত। কিন্তু সেখানে কতটা সুখে আছেন সেটা তিনি নিজেই ভালো করেন জানেন।

এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা টনি ডায়েস অনেক বছর আগেই স্ত্রী মডেল-অভিনেত্রী প্রিয়া ডায়েসকে নিয়ে আমেরিকায় স্থায়ী হয়েছেন। চাকরির পাশাপাশি বাংলাদেশি নির্মাতাদের নাটকে মাঝে মধ্যে অভিনয়ে দেখা যায় তাকে। তবে দেশে ফেরার আর কোনো ইচ্ছা নেই বলে জানিয়েছেন এ অভিনেতা।

দেশে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও মডেলিং এবং অভিনয় ক্যারিয়ারকে গুডবাই জানিয়ে আমেরিকা প্রবাসীকে বিয়ে করে সেখানে স্থায়ী আবাস গড়েছিলেন মোনালিসা। কিন্তু বিয়ের অল্প দিনের মধ্যেই সেই সংসার ভেঙে যায় তার। তারপর অমেরিকায় সেলস গার্লের চাকরি নেন তিনি। চাকরির অবসরে দেশে বেড়াতে এসে নাটক, টেলিফিল্মে অভিনয় করেন। তবে স্থায়ীভাবে আমেরিকায় থাকার বন্দোবস্ত করার প্রক্রিয়ায় রয়েছেন এ মডেল-অভিনেত্রী। আমেরিকা প্রবাসী ধনাঢ্য একজনকে বিয়ে করে কয়েক বছর আগে স্থায়ীভাবে থাকার জন্য সেখানে চলে যান লাক্স সুন্দরী আফসান আরা বিন্দু। তখন থেকেই মিডিয়ায় অনুপস্থিত তিনি। কিন্তু তার সেই সংসার জীবনের বিচ্ছেদের কথা চাউর হয়েছে মিডিয়ায়। স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ির পর তিনি সম্প্রতি ঢাকায় ফিরেছেন।

ফিটনেস ফিরিয়ে আনার জন্য মিরপুরের একটি জিমনেশিয়ামে নিয়মিত যাচ্ছেন বিন্দু। তার ঘনিষ্ঠ অনেকেই জানিয়েছেন, তিনি আবার অভিনয়ে ফিরবেন। ত বে আপাতত আমেরিকা আর যাচ্ছেন না এ অভিনেত্রী। রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী কাদেরী কিবরিয়া দীর্ঘ সময় ধরে স্থায়ীভাবে আমেরিকায় আছেন। সেখানে চাকরির পাশাপাশি বাঙালি কমিউনিটির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিয়মিত গান করেন এই জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী।

লাক্স সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়ে মিডিয়ায় আসেন মিলা হোসেন। মডেলিং এবং অভিনয় ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থাকা অবস্থায় প্রায় দুই যুগ আগে আমেরিকায় পাড়ি জমান এ জনপ্রিয় তারকা। সেখানে চাকরির পাশাপাশি বাঙালি কমিউনিটির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিয়মিত অংশ নেন এই সাবেক লাক্স সুন্দরী।

কয়েক বছর পর পর দেশে আসেন স্বল্প সময়ের জন্য। তখন মডেলিং এবং নাটকে অভিনয় করতে দেখা যায় এ তারকাকে। আমেরিকাতে স্থায়ী হওয়া মিলা হোসেনের দেশে ফিরে আসার আর কোনো ইচ্ছা নেই বলে জানিয়েছেন সম্প্রতি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ’পরিবারের লোকজন এবং আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতেই মাঝে মধ্যে দেশে যাওয়া হয় আমার। তখন আগে থেকেই কিছু নির্মাতার সঙ্গে কথা দেয়া থাকে তাই অভিনয়টাও করি। তবে দেশে স্থায়ীভাবে ফিরে আসার কোনো ইচ্ছা নেই।’

মডেল ও নৃত্যশিল্পী হিসেবে দারুণ জনপ্রিয়তা পাওয়া রিয়া উন্নত জীবনের হাতছানিতে দেশ ছাড়েন কয়েক বছর আগে। সম্প্রতি এই তারকা দেশে এসেছেন। আমেরিকায় চাকরির পাশাপাশি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দেখা যায় এ তারকাকে। ব্যক্তিগত জীবনের নানা হতাশায় কয়েক বছর আগে আমেরিকায় পাড়ি দিয়েছেন অভিনেত্রী মাহবুবা ইসলাম সুমী। মাঝে নাটক পরিচালনায় তাকে দেখা গেলেও এখন আর কোনো কাজে দেখা যায় না নাটক ও চলচ্চিত্রের এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি মায়ের অসুস্থতার জন্য দেশে এসেছেন। এর আগে সংসার শুরু করার কথা শোনা গেলেও এখনও বিয়ে করেননি তিনি।

মডেলিং এবং অভিনয়ে কাজ করে পরিচিতি পাওয়া নাফিজা বিয়ে করে আমেরিকা প্রবাসী হয়েছেন কয়েক বছর আগে। সম্প্রতি পাঁচ বছর পর দেশে এসেছিলেন। তখন কয়েকটি নাটকে তাকে অভিনয়ে দেখা গেছে। কাজ শেষে স্বামীর আবাসস্থলে ফিরেছেন এই মডেল অভিনেত্রী। যাওয়ার আগে তিনি বলেন, ’স্বামীর সঙ্গে বেশ সুন্দর সাংসারিক জীবন পার করছি আমি। সেখানে ঘর সংসারের কাজের পাশাপাশি পার্ট টাইম চাকরিও করছি। আমরা বেশ সুখে আছি। দেশে ফিরে আসার কোনো চিন্তা নেই আপাতত।’

অভিনেতা রাইসুল ইসলাম আসাদের পরিবার অনেক আগেই আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছেন। তিনি বছরের অর্ধেক সময় দেশে এবং বাকি সময় আমেরিকায় অবস্থান করেন। বাংলাদেশে থাকা অবস্থায় তিনি নিয়মিত নাটক, সিনেমায় অভিনয় করেন। অভিনেত্রী শ্রাবন্তী স্বামীর সঙ্গে কয়েক বছর আগে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য আমেরিকায় গিয়েছিলেন। সেখানে অবস্থানরত অবস্থায় তার কোলজুড়ে আসে দুই মেয়ে। কিন্তু গত বছরের শেষ দিকে হঠাৎ করেই তার সংসার ভেঙে যায়। ঢাকায় এসে কিছুদিন বাবার বাসায় অবস্থানের পর আবার আমেরিকায় উড়াল দিয়েছেন এক সময়ের এ জনপ্রিয় অভিনেত্রী।

এ ছাড়া দেশে অবস্থানরত একঝাঁক তারকা আমেরিকায় স্থায়ীভাবে থাকার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এই অভিলাষে প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় আমেরিকায় বসবাস করে গত বছরের শেষ প্রান্তে দেশে ফিরেছেন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী এসআই টুটুল। সহসাই তিনি আবার দেশান্তরী হবেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।

তবে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন অন্যকথা। বলেন, ’আমেরিকায় মূলত কিছু ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কাজে গিয়েছিলাম। এ ছাড়া এই সময়টায় মিউজিক নিয়ে পড়ালেখা করেছি। শো করেছি। এভাবেই সময়টা চলে গেছে।’ অভিনেত্রী নওশীন আমেরিকায় স্থায়ী হওয়ার চেষ্টা করছেন বলে শোনা যাচ্ছে ঢাকার শোবিজাঙ্গনে। অভিনয় ক্যারিয়ারে ছন্দপতন এবং কাজ কমে যাওয়ায় তিনি আমেরিকামুখী হচ্ছেন বলে জানিয়েছে তার ঘনিষ্ঠরা। এই জন্য কয়েকমাস আগে তিনি আমেরিকায় গিয়েছেন। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছেন তার বাবা, মা, বড় ভাই এবং একমাত্র ছেলে ইহান। এই যাত্রায় মাসখানেক আগে শামিল হয়েছেন নওশীনের স্বামী অভিনেতা আদনান ফারুক হিল্লোল। স্থায়ী হওয়ার আবেদন করার শর্ত পূরণের জন্যই হিল্লোল-নওশীন আমেরিকায় আছেন। আমেরিকায় যাওয়ার আগে অবশ্য নওশীন বলেন অন্যকথা।

তিনি বলেন, ’আসলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোর জন্যই আমেরিকায় যাচ্ছি। সেখানে আমার একমাত্র ছেলে ইহানও থাকে। তাই কিছুটা সময় তাদের সঙ্গে কাটানোর পাশাপাশি বিভিন্ন দর্শনীয় এলাকা ঘুরে দেখার ইচ্ছা আছে।’

হিল্লোল বলেন, ’আমি বরাবরই ভ্রমণপ্রিয়। একটা সুযোগ পেয়েছি, তাই ঘুরে বেড়ানোর জন্য আমেরিকা যাচ্ছি। আর বিভিন্ন দেশের খাবার নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা আছে। আমার সেই সাধটাও পূরণ করার চেষ্টা করব এবার। এ সব শেষে শিগগিরই দেশে ফিরে আসার ইচ্ছা আছে।’

অভিনেতা আনিসুর রহমান মিলন বছরখানেক ধরে ঘন ঘন আমেরিকায় যাওয়া-আসার মধ্যে আছেন। সেখানে তার স্ত্রী ও একমাত্র ছেলে থাকে। গুঞ্জন রয়েছে, তিনিও স্থায়ী হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে মিলন বলেন ভিন্ন কথা। ’আমি দেশে অভিনয় ক্যারিয়ার ছেড়ে কোথাও যাব না। ওখানে আমার স্ত্রী ও ছেলে থাকে। তাই তাদের সঙ্গ দিতেই যাই।’

জনপ্রিয় খলনায়ক মিশা সওদাগরও আমেরিকায় স্থায়ী হওয়ার চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছেন অনেকেই। গত দুই মাস সেখানে সপরিবারে অবস্থান করেছেন এই অভিনয় তারকা। আরেক অভিনেতা কাজী মারুফ দীর্ঘদিন আমেরিকায় বসবাস করছেন। ব্যান্ড তারকা বিপ্লব তো প্রায় দুই বছর আগে আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছেন। ফিরে আসার কোনো সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না।

বাংলাদেশি তারকাদের আমেরিকায় চলে যাওয়ার বিষয়টাকে মিডিয়া সংশ্লিষ্টরা ইতিবাচক হিসেবে দেখেন না। তাদের মতে, মিডিয়া ক্যারিয়ারের অনিশ্চয়তা এবং ব্যক্তিগত হতাশাবোধ থেকেই তারা দেশান্তরি হচ্ছেন। যারা আমেরিকামুখী হচ্ছেন তাদের অনেকের ক্যারিয়ারগ্রাফ নিম্নমুখী।

এ অবস্থায় কেউ কেউ পেশা পরিবর্তন করে দেশেই অবস্থান করছেন। তবে অনেকে বলছেন যে, আমেরিকায় স্থায়ী হওয়া একটা ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। আর আমেরিকায় গিয়ে অনেক তারকাই প্রচুর পরিশ্রমের সঙ্গে নিুমানের চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন, যা বাংলাদেশি তারকাদের মর্যাদাহানিও হচ্ছে। আমেরিকায় স্থায়ী আবাস গড়ার জন্য আরও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক তারকা প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

তবে শুধু আমেরিকাতেই কেন তারকারা পাড়ি জমাচ্ছেন এ প্রশ্নের উত্তরে বিশেষজ্ঞরা বলেন, মূলত দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের পাশাপাশি নাগরিতত্ব নেয়ারও সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি সেখানে সন্তান জন্ম দিলে সেই সন্তান স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সে দেশের নাগরিক হয়ে যান। এবং বাবা-মা নাগরিকত্বের জন্য সহজেই আবেদন করতে পারেন। এসব কারণেই দেশ হিসেবে আমেরিকার প্রতিই তারকাদের আগ্রহ বেশি। আমেরিকায় পাড়ি দেয়া নিয়ে শঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই
তারিক আনাম খান

’কাদেরী কিবরিয়া কিংবা শাবানা তো অনেক আগে আমেরিকায় চলে গেছেন। যারা সেখানে যাচ্ছেন, তাদের সংখ্যা কিন্তু খুব বেশি নয়। এটা নিয়ে শঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই। তারপর এটা আবার অনেকেরই ব্যক্তিগত চয়েস। বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে শিল্পকর্ম করতে গেলে অনেক কষ্ট করতে হবে।

আর যদি কেউ আয়েশি জীবন চান তাহলে বিনোদন জগৎ তাদের জন্য খুব সহজ জায়গা নয়। বিনোদন জগতের যারা আমেরিকায় চলে গেছেন, এটা তাদের ব্যক্তিগত বিষয়। আমাদের এখানে কাজ করতে গেলে প্রচুর স্ট্রাগল করতে হয়। অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হয়। এখন যে শিল্পকর্ম করবে সেটা অভিনয়ে হোক কিংবা অন্যান্য মাধ্যমে হোক না কেন, তাকে বুঝতে হবে এটা বন্ধুর পথ। মার্কিন মুলুকে খুব সহজেই সবাই সবকিছু পায় না। নানা ধরনের প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে তাদের সেখানে জীবনযাপন করতে হয়। অনেকেই শিল্পের পথ ছেড়ে দিয়ে চাকরি করছে, আবার কেউ কেউ চাকরি ছেড়ে দিয়ে শিল্পের পথে চলে আসছেন।

এর অন্যতম উদাহরণ অভিনেতা ফজলুর রহমান বাবু। সুতরাং কষ্টকে মেনে না নিয়ে মিডিয়ার যারা সহজেই অনেক বেশি অর্থের জন্য ভিনদেশে পাড়ি দিচ্ছেন সেটা তারা হয়তো বুঝেশুনেই করছেন। আমি মনে করি শিল্পের জগতে কাজ করতে গেলে কষ্ট সহ্য করে যেতে হবে। তা না হলে না করাই উচিত। আমাদের বিনোদন জগতের প্রতি সরকারি ও বেসরকারিভাবে আরও ভালো পৃষ্ঠপোষকতা দরকার। কারণ এই অঙ্গনটি অবহেলিত। মিডিয়ায় কাজ বাড়লে কেউ বাইরে যাবে বলে আমার মনে হয় না।’ সূত্র:যুগান্তর

About Nusraat

Check Also

‘আমি কোনো ফকিরনি পরিবারের মেয়ে না’, নীলা চৌধুরীকে শাবনূর

চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ২৪ বছর পর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *