Home / মিডিয়া নিউজ / স্বামীর সঙ্গে মোটেও বনিবনা হচ্ছে না শাবনূরের ?

স্বামীর সঙ্গে মোটেও বনিবনা হচ্ছে না শাবনূরের ?

হঠাৎ না বলেই দেশ ছেড়েছেন শাবনূর- এমন একটি খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে। শাবনূরের মায়ের

বরাত দিয়ে সংবাদটি ফলাও করে প্রকাশ করা হয়। তবে এদিকে শাবনূরের স্বামী অনিক বিষয়টি

অস্বীকার করে সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, শাবনূর দেশেই আছেন। তিনি অস্ট্রেলিয়া যাননি।

এ বিষয়ে শাবনূরের মোবাইলে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে তার মা গণমাধ্যমে বলেছেন

’শাবনূর দেশে নেই। ছেলে অসুস্থ, জ্বর। তার চিকিৎসা ও ব্যক্তিগত কাজে অস্ট্রেলিয়া গেছেন।’ এ কথার প্রেক্ষিতে শাবনূরের স্বামী অনিক বলেন, ’সামান্য জ্বরের কারণে ছেলেকে চিকিৎসা করতে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার কোনো কারণ দেখছি না। সে অস্ট্রেলিয়া যায়নি। ঢাকাতেই আছে। একটি ছবির শুটিংয়ের প্ল্যান চলছে। সেটা শেষ করেই অস্ট্রেলিয়া যাবে।’

শাবনূরের মা ও স্বামীর থেকে পাওয়া দুই ধরনের বক্তব্যে বেশ কিছুটা গরমিল রয়েছে। বক্তব্যের অসামঞ্জস্যতা থেকেই বিষয়টি স্পষ্ট, স্বামীর সঙ্গে মোটেও বনিবনা হচ্ছে না এক সময়ের ঢাকাই চলচ্চিত্রের এ রোমান্টিক নায়িকার।
কিছুদিন আগে গুঞ্জন উঠেছিল, অনিকের সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটছে শাবনূরের। তাদের মধ্যে আর বনিবনা হচ্ছে না। তখন বিষয়টি গুজব বলেই উড়িয়ে দিয়েছিলেন শাবনূর। তিনি বলেছিলেন, ’আমাদের মধ্যে কোনো ঝামেলা নেই। ছেলে আইয়ান ও স্বামী অনিককে নিয়ে বেশ সুখেই সংসার করছি আমরা।’ শাবনূরের এ মন্তব্যে তখন গুজব থেমে গেলেও এখন তার মা ও অনিকের বিপরীত মন্তব্যে তা আবার ডালপালা মেলতে শুরু করেছে।

কারণ, মায়ের বক্তব্য অনুযায়ী শাবনূর অস্ট্রেলিয়া গেলেও অনিক বলছেন, তিনি দেশে রয়েছেন। অর্থাৎ স্বামীর সঙ্গে আদপে কোনো যোগাযোগ নেই শাবনূরের। বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়, দীর্ঘদিন পর দেশে ফিরে শাবনূর ঢাকায় তার মায়ের বাসাতেই অবস্থান করছেন। শাবনূরের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছেন, স্বামীর বাড়িতে একবারের জন্যও নাকি যাননি তিনি। তবে অস্ট্রেলিয়া যাননি শাবনূর- স্বামী অনিক এমনটি বললেও নিজেদের সংসারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খোলেননি তিনি।

About Nusraat

Check Also

‘আমি কোনো ফকিরনি পরিবারের মেয়ে না’, নীলা চৌধুরীকে শাবনূর

চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ২৪ বছর পর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *