Home / মিডিয়া নিউজ / শ্রাবন্তী কি কি করেছে বলতে লজ্জা লাগে: খোরশেদ আলম

শ্রাবন্তী কি কি করেছে বলতে লজ্জা লাগে: খোরশেদ আলম

শ্রাবন্তীকে বিচ্ছেদের নোটিস পাঠিয়েছেন তার স্বামী খোরশেদ আলম। এই নিয়ে বেশকিছু আবেগঘন

ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী। শ্রাবন্তী নিজেই বলেছেন-’ভুল আমার হতে পারে, ক্ষমা

করে দাও, একসঙ্গে না হয় অন্তত একঘরে বসবাস করার সুযোগ দাও।’ কী এমন ভুল করেছেন শ্রান্তবী,

যার ফলে ছোট্ট দুটি সন্তানের টানও আলমকে তার কাছে ফিরিয়ে আনতে পারছে না? প্রথমবারের

মতো দীর্ঘ ও খোলাসা কথা ’বলা না বলা’কে বলেছেন জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক খোরশেদ আলম।

’শ্রাবন্তীর সঙ্গে প্রথমদিকে আমার সংসার অনেক সুখের ছিল। কিন্তু কয়েক বছর পর আমি বুঝতে পারলাম পার্থ বড়ুয়াও কেন তার সঙ্গে সংসার করতে পারলেন না। শ্রাবন্তী অনেক বেশি জেদি, আক্রমণাত্মক আর লোভী। আমি এনটিভি আর জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে একসাথে চাকুরী করে খুব ভালোই আয় করতাম। কিন্তু শ্রাবন্তীর আবদার আর বিলাসিতা পূরণ করতে হিমশিম খেতে হতো। একসময় সিদ্ধান্ত নিলাম, আরও রোজগার করার জন্য চাকুরী ছেড়ে আমেরিকা চলে যাবার। সেখানে গিয়ে প্রথম দিকে একটু বিপাকেই পড়ে গেলাম। পরে ধার দেনা করে বাড়ি গাড়ি কিনলাম। দিনদিন শ্রাবন্তীর অত্যাচার আর আচরন আরও রুঢ় হতে থাকলো। কয়েক বছর পর আমি ওদের আমেরিকা রেখে বাংলাদেশে চলে আসি। ফের যোগ দেই বিশ্ববিদ্যালয়ে। আমার ইচ্ছে ছিলো বছরে দুইবার আমেরিকা গিয়ে ওদের সঙ্গে সময় কাটাবো। আর ঢাকা থেকে ওদের খরচাপাতির ব্যবস্থা করবো। কিন্তু আমি তারপরও শ্রাবন্তীর চাহিদা পূরণ করতে পারছিলাম না। তার চাহিদার মাত্রা এমন যে আমার মনে হয় শিল্পপতি ছাড়া আমার মত সাধারন চাকুরীজীবির পক্ষে সম্ভব নয়। প্রতিদিন টেলিফোনে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করতো। হুমকি ধামকি দিতো। হঠাৎ সে আমাকে না জানিয়ে ঢাকায় চলে আসে, জানতে পারি সে আমেরিকায় আমার লোন করে কেনা বাড়ি আর গাড়ি বিক্রি করে দিয়েছে। এ নিয়ে তারসঙ্গে বচসা হয়। এরপর শ্রাবন্তী রীতিমত আমাকে শারিরিক নির্যাতন করেছে। একজন শিক্ষক হিসেবে আর তেমন কিছু বলতেও আমার লজ্জা লাগছে। শেষ পর্যন্ত আমি বাধ্য হয়ে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেই। তালাকের নোটিস পাবার পর শ্রাবন্তী এক দিকে ফেইসবুকে মানবিক আবেদন করছে, অন্যদিকে আমাকে ফোন করে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করছে। রীতিমত মামলা আর জেল খাটানোর হুমকি দিচ্ছে। সব মিলিয়ে আমি গত কয়েক সপ্তাহ শ্রাবন্তী বা তার সংশ্লিষ্ট কারও ফোন ধরছি না। আমার মত চুপচাপ আছি। আর কিছু বলতে চাই না।

দুই মেয়ে বিষয়ে জানতে চাইলে খোরশেদ আলম বলেন, ওরা আমার সন্তান। আমারও মন কাদছে তাদের জন্য। নিজেকে বুঝিয়ে রেখেছি। হ্যা, নিয়ম অনুযায়ী বিচ্ছেদের পর যেভাবে দায়িত্ব পালন করতে হয় সেভাবেই আমি দায়িত্ব পালন করে যাবো। আর শ্রাবন্তী যদি স্বেচ্ছায় আমাকে আমার মেয়েদের দিয়ে দেয় আমি কৃতজ্ঞ থাকবো।

অন্য একজন তরুণীর সঙ্গে প্রেমের বিষয়ে একটি গুঞ্জন রটেছে, এ বিষয়ে আপানার মন্তব্য কি? জানতে চাইলে খোরশেদ আলম বলেন, আমি দেশের অন্যতম সেরা একটি টিভি চ্যানেলে অনুষ্ঠান বিভাগে উচ্চপদে কাজ করেছি আমার তরুণ বয়সে অনেক বছর। কেউ আমার নারী ঘটিত বিষয়ে কোন অভিযোগ করতে পারবে না। আর এখনতো পড়ন্ত বয়স- আসলে এগুলো সব বানোয়াট কথা।
সূত্র:লেটেস্টবিডিনিউজ.কম

About Nusraat

Check Also

‘আমি কোনো ফকিরনি পরিবারের মেয়ে না’, নীলা চৌধুরীকে শাবনূর

চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ২৪ বছর পর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *